ট্রাম্পের বিমান নিরাপত্তায় ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ভূমিকা নিয়ে তুরস্কে প্রশ্ন

আলহেরা ২৪ অনলাইন
| প্রিন্ট সংস্করণ
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তায় নেওয়া অস্বাভাবিক পদক্ষেপের পেছনে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ছিল বলে দাবি উঠেছে। তুর্কি কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানের সম্ভাব্য হামলার যে গোয়েন্দা সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্র পেয়েছিল, সেটি ইসরায়েল থেকে দেওয়া হয়েছিল এবং তথ্যটি ভুয়া হতে পারে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই। প্রতিবেদনে বলা হয়, তুর্কি কর্মকর্তারা মনে করছেন, তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনা বাধাগ্রস্ত করা এবং ট্রাম্পের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সম্পর্ক দুর্বল করাই ছিল ওই গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্য।

ঘটনার সময় ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাতের অবসান ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা বলেছিলেন এবং চলমান আলোচনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন। তুর্কি কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল।

৭ ও ৮ জুলাই ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আঙ্কারায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করা হয়, ফুটপাত ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় এবং সরকারি কর্মচারীদের এক সপ্তাহের প্রশাসনিক ছুটি দেওয়া হয়। সম্মেলনস্থল থেকে বিশ্বনেতাদের দ্রুত যাতায়াত নিশ্চিত করতে আঙ্কারা বিমানবন্দরও বিশেষভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

এর মধ্যেই ৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে বিমানবন্দরে তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তারা তুর্কি কর্তৃপক্ষকে জানান, ইসরায়েল থেকে পাওয়া একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ট্রাম্পের ওপর ইরানের হামলার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির দাবি ছিল আরও নির্দিষ্ট। এতে বলা হয়েছিল, ইরানের একটি গোপন অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিট আঙ্কারা বিমানবন্দরের ৫০০ মিটার থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান নিয়ে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অর্থাৎ ‘ম্যানপ্যাডস’ ব্যবহার করে ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ারফোর্স ওয়ানে হামলা চালাতে পারে।

সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও তুর্কি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেন। ট্রাম্পের যাত্রার স্থান আঙ্কারা বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে এসেনবোয়া বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখানে বিমানবন্দরের সীমানা থেকে বেসামরিক ভবনগুলো তুলনামূলকভাবে দূরে থাকায় সেটিকে নিরাপদ মনে করা হয়েছিল।

নিরাপত্তার আরেক ধাপে ট্রাম্পকে অত্যন্ত গোপনীয়তায় সাধারণ একটি ক্যাটারিং ট্রাকে করে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে নেওয়া হয়। পরে নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে পুরোনো বিমানটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুরোনো উড়োজাহাজটিতে এমন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বা অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেম ছিল, যা নতুন বিমানে তখনও যুক্ত হয়নি।

তুর্কি কর্মকর্তাদের ধারণা, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, এর মাধ্যমে একদিকে ইসরায়েলকে ট্রাম্পের নিরাপত্তার প্রধান সহযোগী হিসেবে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংলাপ বন্ধ হওয়ার পক্ষে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার পরিবর্তে ইরানের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখা এবং দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালানোর পথে রাখতে চেয়েছিল বলে তুর্কি কর্মকর্তাদের ধারণা।

একই সঙ্গে এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতাও ইসরায়েলের জন্য উদ্বেগের কারণ ছিল বলে তারা মনে করছেন। ফলে আঙ্কারায় ট্রাম্পের নিরাপত্তা ঘিরে নেওয়া নজিরবিহীন পদক্ষেপকে তুর্কি কর্মকর্তারা বৃহত্তর কূটনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখছেন।

গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত, সরবরাহ বাড়াতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে অন্তত ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হতো না’: আসিফ নজরুল

গ্রিন-ক্যারির প্রতিরোধে দিন শেষ, জয়ের পথে বাংলাদেশ?

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন রিজভীসহ চার নেতা

৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে—এর নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও শিঙাড়া বিলির অভিযোগে তিনজনকে মারধর

দুই এলএনজি টার্মিনাল চালু, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ল

অক্টোবরে একসঙ্গে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর আশা প্রধানমন্ত্রীর

দুই-এক দিনের মধ্যেই ছাত্রদলের নতুন কমিটি, দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা রাকিবের

১০

হাসানের জোড়া আঘাতের পর তাইজুলের শিকার লাবুশেন

১১

হরমুজে হামলার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

১২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

১৩

১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‌্যাবের

১৪

‘গণভোটের রায় কার্যকর হলে বিপুল ভোটে জিততেন অলি আহমদ’

১৫

সালাহউদ্দিনকে স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্রের দায়িত্বে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি

ধর্ষণ মামলায় চট্টগ্রাম এনসিপির নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার

কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর পর তদন্তে ইন্টার মায়ামি

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা

প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলন থেকে শিক্ষামন্ত্রী, শেষ পর্যন্ত একই ইস্যুতেই পদত্যাগ ধর্মেন্দ্র প্রধানের

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

একরামুল হক হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে

ইরানের ১৫০ টনের কার্গো বার্জে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

মতিঝিলে উদ্ধার শক্তিশালী পাইপ বোমা, উল্টোরথ যাত্রা ছিল সম্ভাব্য লক্ষ্য

১০

দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর পরিকল্পনা

১১

ফুলহামের মূল দলে সুযোগ পেয়েই নজর কাড়লেন ফারহান, বাড়ছে বাংলাদেশের স্বপ্ন

১২

রাজধানীর বাসব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা, কমছে রুট ও অপারেটর

১৩

রায়পুরে জমি ও মন্দির নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৮

১৪

সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, উঠলেন গুলশানের বাসভবনে

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত