জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৩০, ধ্বংসস্তূপে এখনো উদ্ধার অভিযান

আলহেরা ২৪ অনলাইন
| প্রিন্ট সংস্করণ
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কুমামোতো প্রিফেকচারে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬৩ জন, যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকলেও জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষের পথে পৌঁছেছে।

কুমামোতো প্রিফেকচারাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। যদিও নিখোঁজের নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, একাধিক স্থানে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কাশিমা শহরের অ্যাওন মল শপিং সেন্টারে। মঙ্গলবার বিকেলে ব্যস্ত কেনাকাটার সময় ভূমিকম্প আঘাত হানলে প্রায় ৩ হাজার ক্রেতাকে পাশের পার্কিং এলাকায় সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। তবে ভবনের একটি অংশে হঠাৎ বিস্ফোরণের পর দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ে এবং বহু কর্মী ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ওই শপিং মলের ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

ইয়াতসুশিরো এলাকায় নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানার বিশাল চিমনি ধসে অন্তত আটজন নিহত হন। সেখান থেকে ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।

ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তীব্র গরমের মধ্যেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ সরকার পরিচালিত ৪০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে প্রায় ২৩ হাজার বাড়িতে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

নিয়মিত আফটারশকের আশঙ্কায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অনেক বাসিন্দা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা কমে আসায় নিখোঁজদের স্বজনদের উদ্বেগও বাড়ছে।

সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, লক্ষ্য বাণিজ্য সহজীকরণ

আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ীর বাংলাদেশ সফর

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ডের নতুন নিয়ম যুক্তরাষ্ট্রে

চলতি মাসেই ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে আরও একজোড়া আন্তঃনগর ট্রেন

বিতর্কের মুখে ফিফার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার আহ্বান এএফসি সভাপতির

প্রথমবার ঢাকায় কনসার্ট করবেন পাকিস্তানের র‍্যাপার হাসান রহিম

বড় ঋণের পাশাপাশি ছোট ঋণেও খেলাপি বাড়ছে দ্রুত, দুর্বল হচ্ছে খুচরা ঋণের মান

মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা’ আতঙ্ক, ব্যাগে মিলল পান-সুপারির কৌটা

গুরুত্বপূর্ণ খনিজে কৌশলগত অংশীদারত্বে আর্জেন্টিনা–দক্ষিণ কোরিয়া

১০

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ তিন ইস্যুতে আজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক

১১

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘অবিশ্বাস্য সম্ভাবনা’ দেখছেন সার্জিও গোর

১২

আগস্টেই চালু হতে পারে ‘প্রবাসী কার্ড’, রেমিট্যান্সে মিলবে ৩ শতাংশ প্রণোদনার পরিকল্পনা

১৩

ভাইয়ের গ্রেপ্তার নিয়ে কাদের সিদ্দিকী: ‘নিষ্পাপ মানুষকে অন্যায়ভাবে আসামি করা হয়েছে’

১৪

শাপলা চত্বর মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠালো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

১৫

‘আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখনো ঘুষ খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে’, রাষ্ট্রযন্ত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখছেন না মির্জা ফখরুল

ধর্ষণ মামলায় চট্টগ্রাম এনসিপির নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার

কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর পর তদন্তে ইন্টার মায়ামি

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা

প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলন থেকে শিক্ষামন্ত্রী, শেষ পর্যন্ত একই ইস্যুতেই পদত্যাগ ধর্মেন্দ্র প্রধানের

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

একরামুল হক হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে

ইরানের ১৫০ টনের কার্গো বার্জে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

মতিঝিলে উদ্ধার শক্তিশালী পাইপ বোমা, উল্টোরথ যাত্রা ছিল সম্ভাব্য লক্ষ্য

১০

দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর পরিকল্পনা

১১

ফুলহামের মূল দলে সুযোগ পেয়েই নজর কাড়লেন ফারহান, বাড়ছে বাংলাদেশের স্বপ্ন

১২

রাজধানীর বাসব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা, কমছে রুট ও অপারেটর

১৩

রায়পুরে জমি ও মন্দির নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৮

১৪

সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, উঠলেন গুলশানের বাসভবনে

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত