সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে ইউরিয়া সার মজুতের ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। সদস্যপদ বাতিল হওয়ায় তিনি নায়েবে আমীর-২ পদেও আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। ফলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর পদে তার দায়িত্ব পালনের সুযোগও থাকছে না।
জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, রুকন সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ। নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণের পর একজন কর্মী এ সদস্যপদ লাভ করেন।
মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সার মজুতের বিষয়টি সামনে আসে ১ অক্টোবর রাতে। ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে তার সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে বিনির্দেশবহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ছোট ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। সার গুদামে অভিযানের সময় তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।