বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশনের লক্ষ্যে আগামী এক বছরের মধ্যে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
মক্কা চুক্তির বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ ক্ষেত্রে সবকিছু বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
এ সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন তিনি। দুই দেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি সামনে এনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত তাদের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী কাজ করবে, আমরা আমাদের নীতি অনুযায়ী কাজ করব। ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মতো।’
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, সেটি মূল বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিচারব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মো. আসাদুজ্জামান। ই-জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে সরকার ও আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আইনমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস এবং শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ। এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।