| ছবি: সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পান, সে জন্য বাজারের সব ধরনের সিন্ডিকেট ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ করলে কোনো ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হয় আমরা সেদিকে এগিয়ে যাবো। বাজারে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। আমরা এ সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি। বাজারের এই সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো।’ কৃষকদের উৎপাদন খরচ ও পরিশ্রমের তুলনায় ন্যায্য দাম না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের কৃষক ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়ে ন্যায্য দাম পান না। কৃষকরা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত দুই কেজি করে তোলা দিতে হতো। এরপরে আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়ারা কৃষকের কাছ থেকে তোলা নেয়।’ বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের কথাও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুতদারি করবেন তারা ভেবেচিন্তে করবেন।’ আসাদুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তোলা না পেলে পণ্য কিনবেন না—এমন হুমকি দেওয়া ব্যবসায়ীদেরও বাজার ছাড়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘বাজারের এই সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো। এরই মধ্যে সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলবো, বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।’ আইনমন্ত্রীর বাজার পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।