প্রকাশ : ... | ... | ...

ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে নতুন মহাসড়কের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য তিনটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার পর সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়। প্রস্তাবিত পথে মহাসড়ক নির্মাণের আগে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, এ জন্য বিদ্যমান সড়কের কিছু অংশ প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। সভায় প্রধানমন্ত্রী ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সম্প্রসারণের কথাও বলেন তিনি। নদীবেষ্টিত ভোলার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নৌপথের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পরিকল্পিত সড়ক সংযোগ বাস্তবায়িত হলে সেই নির্ভরতা কমবে। প্রকল্পটি শেষ হলে ভোলা থেকে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য এলাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সভায় হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের ক্ষেত্রে দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়কে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হিসেবে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে নতুন পথটি কার্যকর বিকল্প হয়ে উঠতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো: মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।