| ছবি: সংগৃহীত
সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। শিশুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বডিবিল্ডার এক বাবার ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘মানুষের মনের কথা, এমন বডি বিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক।’ শনিবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে টঙ্গীর মাদ্রাসায় এক শিশুকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্ক, শিশুদের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং অতীতে সংঘটিত গণপিটুনির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তারেক রহমান। পোস্টে তিনি জুবায়ের নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ করেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে পোস্টে বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরেননি তিনি। থাপ্পড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের দাবি তোলার প্রসঙ্গে তারেক রহমান প্রশ্ন করেন, কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার সময় ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা কেন সামনে আসে না। তিনি বলেন, সবার ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্তানদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সমালোচনা করেন তারেক রহমান। তাঁর দাবি, শফিকুর রহমান শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দিতেন। এর পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা তিনি জানেন না বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন। শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তারেক রহমান মেনিনজাইটিস, হারপিস ও দাঁত ক্ষয়ের মতো সমস্যার কথা তুলে ধরেন। শিশুদের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের আচরণ পরিহারের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া মাদ্রাসায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনা স্নেহের প্রকাশ নয়; এর পেছনে বিকৃত যৌন আচরণ থাকতে পারে। এ ধরনের অপরাধ কঠোরভাবে দমনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পোস্টের শেষাংশে জুবায়েরকে ‘জঙ্গী’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর প্রতি আলেম-ওলামাদের সমর্থন না দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান।