প্রকাশ : ... | ... | ...

মহেশখালী গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি উন্নত, শিগগির সংকট কমবে বলে আশাবাদ রিজভীর


সংযুক্ত ছবি

সংগৃহীত

দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট শিগগিরই অনেকটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর ভাষ্য, মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি ইতোমধ্যে অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে এবং শিল্পকারখানায় পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন তিনি। রিজভী বলেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানার জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তা হলে শিল্প উৎপাদন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বর্তমানে যে চাপ রয়েছে, সেটিও ধীরে ধীরে কমে আসবে। দেশের জ্বালানি সংকটের পেছনে শুধু সরকারের ভূমিকা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ বর্তমান পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং বিশেষ করে শিল্পখাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। এলএনজি আমদানি প্রসঙ্গে রিজভী জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামগ্রিক গ্যাস সংকটও শিগগির কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদী। বর্তমান জ্বালানি সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া চাপ মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বক্তব্যে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ও তুলে ধরেন রিজভী। পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। রাজনৈতিক পরিবেশ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দল তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করবে এবং সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে। জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।