| ছবি: সংগৃহীত
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার কেরাণীগঞ্জের বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। কারা সদর দপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজি প্রিজনস) মো. জাহাঙ্গীর কবির তাঁর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে মোট ৯টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর তাঁর মুক্তির সর্বশেষ আইনি বাধা দূর হয় গত সোমবার (১৭ আগস্ট)। ওই দিন হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বনানী থানায় করা মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর আগে পৃথক আটটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। পরে বনানী থানার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। গত ১০ আগস্ট ওই মামলায় তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। আপিল বিভাগ সেই জামিন বহাল রাখায় তাঁর কারামুক্তির পথ তৈরি হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বুধবার বিকেলে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হন তিনি। তবে জামিনে মুক্ত হলেও খায়রুল হকের বিদেশযাত্রায় বিধিনিষেধ রয়েছে। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশত্যাগ করতে পারবেন না। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, সেটিও বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত।